খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২৪ চৈত্র, ১৪৩২

গণমাধ্যম সাংবাদিকতায় মাস্টার্সে উজ্জ্বল হোসাইন প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
গণমাধ্যম সাংবাদিকতায় মাস্টার্সে উজ্জ্বল হোসাইন প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের সিস্টেম ডেভলপার ও অনলাইন সংস্করণের মুখ্য কর্তাব্যক্তি উজ্জ্বল হোসাইন বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম সাংবাদিকতার মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষায় সিজিপিএ ৩.৫৫ পেয়ে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন।  ৪ এপ্রিল ২০২৬ এ পরীক্ষার ফলাফলে তাঁর এ কৃতিত্বর খবর জানা গেছে। তিনি চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের আইটি কর্মকর্তা, সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুরের নির্বাচিত নির্বাহী সদস্যসহ বহু সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তিনি একজন সুলেখক। চাঁদপুর জেলায় সমাজসেবার পুরানো সংগঠন চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের তিনি সাবেক সম্পাদক ও ২০২৭-২০২৮ রোটারী বর্ষের নির্বাচিত সভাপতি। তাঁর সহধর্মিণী নাসরিন আক্তার চাঁদপুরের প্রসিদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ও ইনার হুইল ক্লাব অব চাঁদপুর সেন্ট্রালের সাবেক সভাপতি। এছাড়াও জনাব উজ্জ্বল হোসাইন পেশাগত জীবনে একজন আইটি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও আয়কর আইনজীবী।
তিনি ঐতিহ্যবাহী নাট্য সংগঠন নটমঞ্চের সভাপতি, চাঁদপুর যুব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, প্রত্যয় সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের যুব সংগঠন চাঁদপুর রোটার‌্যাক্ট ক্লাবের সাবেক সভাপতি (২০১৩-১৪), শিশু থিয়েটার চাঁদপুরের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক, চাঁদপুর বিতর্ক আন্দোলনের সাবেক এলিট সদস্য, কালের কণ্ঠ শুভ সংঘের সভাপতি, চাঁদপুর পৌর কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় কমিটি প্রচার সম্পাদক, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ভূমি সংক্রান্ত এসিজি গ্রুপের সমন্বয়ক এবং অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের কার্যকরী সদস্য। এভাবে তিনি বহু সংগঠনের মাধ্যমে নিজেকে একজন সংগঠক ও সমাজকর্মী হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করে চলেছেন। উজ্জ্বল হোসাইন আমিরাবাদ গোলাম কিবরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ১৯৯৯ সালে এসএসসি পাস করেন। তারপর চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি ও স্নাতক (বিএসসি) ডিগ্রি অর্জন, চাঁদপুর ল’ কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব ল’ (এলএলবি) ডিগ্রি এবং সাউথ এশিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা মাস্টার্স কোর্সে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে তিনি ডিপ্লোমা ইন ডাটাবেজ প্রোগ্রামিং কোর্স সম্পন্ন করেন এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন গ্রাফিক ডিজাইন কোর্স সম্পন্ন করেন। ২০২৫ সালে তিনি আয়কর আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন। দক্ষতা উন্নয়নের জন্যে তিনি রোটারী ইন্টারন্যাশনাল থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ৫০টির বেশি কোর্স সম্পন্ন করেন। এছাড়া রোটারীর বিভিন্ন সভা ও সেমিনারে অংশগ্রহণের জন্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ভ্রমণ করেন। তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্ল্যানিং, ম্যানেজমেন্ট ও অ্যাডমিনিট্রেশনের ওপর ৭ দিনব্যাপী কর্মশালা সম্পন্ন করেন।
জনাব উজ্জ্বল হোসাইন বর্তমানে চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালে আইটি অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়াও চাঁদপুরের বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা ‘দৈনিক চাঁদপুর কন্ঠে’র (https://chandpurkantha24.com) সিস্টেম ডেভলপার ও স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক বাংলা কাগজের জেলা প্রতিনিধি, চাঁদপুর পোস্ট অনলাইন (https://chandpurpost.com)-এর নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশের অন্যতম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অরেঞ্জ বিডি লিমিটেড চাঁদপুর শাখার ব্রাঞ্চ কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও সম্প্রতি চালুকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডেইলি রূপসী বাংলার (www.dailyruposhibangla.com)-এর সম্পাদক। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। তার স্ত্রী নাছরিন আক্তার চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তার স্ত্রী উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন এবং চাঁদপুর সেন্ট্রাল ইনার হুইল ক্লাবের সভাপতি (২০২৪-২০২৫) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।
উজ্জ্বল হোসাইন দেশের প্রথম ব্র্যান্ডিং জেলা চাঁদপুরের ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ নামক ব্র্যান্ড বুকের গ্রাফিক্স ডিজাইনার। এছাড়াও তিনি চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের বিগত ১৫ বছর যাবৎ অভিষেক স্মরণিকা ও চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের বার্ষিক প্রতিবেদনের সবগুলো প্রতিবেদন, সাবেক জেলা প্রশাসক আব্দুস সবুর মন্ডলের কর্মকালীন সময়ে (২০১৫-২০১৮) তাঁর কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন বইয়ের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেন। তাঁর আশা ভবিষ্যতে সাংবাদিকতা বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন। তিনি সেজন্যে সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন।

অধ্যবসায়ের আলোয় উজ্জ্বল—একজন পেশাদার মানুষের অনুপ্রেরণার গল্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
অধ্যবসায়ের আলোয় উজ্জ্বল—একজন পেশাদার মানুষের অনুপ্রেরণার গল্প

সমাজের অগ্রযাত্রায় শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই—এই চিরন্তন সত্য আবারও প্রমাণ করলেন দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের সিস্টেম ডেভলপার ও অনলাইন সংস্করণের মুখ্য কর্তাব্যক্তি উজ্জ্বল হোসাইন। কর্মব্যস্ততার মাঝেও নিজেকে জ্ঞানের আলোয় সমৃদ্ধ করে তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম সাংবাদিকতায় মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এই অর্জন নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত গৌরবের পাশাপাশি পুরো চাঁদপুরবাসীর জন্যও এক অনুপ্রেরণার উৎস।
বর্তমান সময়ের বাস্তবতায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই নিজেদের শিক্ষাজীবনকে আর এগিয়ে নিতে পারেন না। কিন্তু উজ্জ্বল হোসাইন প্রমাণ করেছেন—ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় এবং সময় ব্যবস্থাপনার সঠিক প্রয়োগ থাকলে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। একজন আইটি কর্মকর্তা হিসেবে চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালে দায়িত্ব পালন, একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা—এসবের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় এমন সাফল্য অর্জন সত্যিই প্রশংসনীয়।
শুধু পেশাগত জীবনেই নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুরের নির্বাচিত নির্বাহী সদস্য হিসেবে সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। একজন সুলেখক হিসেবে তাঁর চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা সমাজকে আলোকিত করছে। পাশাপাশি চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের সাবেক সম্পাদক এবং ২০২৭-২০২৮ রোটারী বর্ষের নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে তাঁর নেতৃত্বগুণ ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।
এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তাঁর পারিবারিক সহায়তা ও অনুপ্রেরণা। তাঁর সহধর্মিণী নাসরিন আক্তার একজন শিক্ষিকা এবং সমাজসেবী হিসেবেও পরিচিত। এমন একটি পরিবার, যেখানে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজসেবার চর্চা একসঙ্গে বিকশিত হয়—সেখান থেকেই জন্ম নেয় এমন অসাধারণ সাফল্য।
উজ্জ্বল হোসাইনের এই অর্জন শুধু একটি ডিগ্রি অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি বার্তা—যে বার্তা তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়, সংগ্রাম করতে উদ্বুদ্ধ করে এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎকর্ষ সাধনে অনুপ্রাণিত করে। বিশেষ করে গণমাধ্যম ও প্রযুক্তি খাতে যারা কাজ করছেন, তাদের জন্য এটি একটি দৃষ্টান্ত যে, পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি একাডেমিক জ্ঞান অর্জন কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা মনে করি, এমন সাফল্যকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তুলে ধরলে তা অন্যদের মধ্যেও অনুপ্রেরণা জাগায়। উজ্জ্বল হোসাইনের এই কৃতিত্ব নতুন প্রজন্মকে জানাবে—নিজের অবস্থান যেখানেই হোক, চেষ্টা থাকলে সাফল্য অর্জন সম্ভব।
দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে জানানো আন্তরিক অভিনন্দন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও গর্বের বহিঃপ্রকাশ। আমরা প্রত্যাশা করি, তিনি ভবিষ্যতেও তাঁর জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা দিয়ে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
পরিশেষে বলা যায়, উজ্জ্বল হোসাইনের এই অর্জন একটি আলোকবর্তিকা—যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রতিটি সাফল্যের পেছনে থাকে নিরলস পরিশ্রম, দৃঢ় মনোবল এবং স্বপ্ন পূরণের অদম্য আকাঙ্ক্ষা। তাঁর এই পথচলা হোক আরও উজ্জ্বল, আরও বিস্তৃত।

চাঁদপুরে নবনিযুক্ত প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের যোগদান

উজ্জ্বল হোসাইন
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুরে নবনিযুক্ত প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের যোগদান

চাঁদপুর জেলায় নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আহমেদ জিয়াউর রহমান যোগদান করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) সকালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকারের স্থলাভিষিক্ত হলেন। আহমেদ জিয়াউর রহমান বিসিএস (প্রশাসন) ২৮তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। এর আগে তিনি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর নিজ জেলা বরিশাল।
২০২৬ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে মাঠপ্রশাসন গোছানোর অংশ হিসেবে সরকার দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে রদবদল করলে আহমেদ জিয়াউর রহমানকে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করে। ২৯ মার্চ চাঁদপুরসহ ১১টি জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নির্দেশনা: অফিস উপস্থিতি ও সাশ্রয়ে কড়াকড়ি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নির্দেশনা: অফিস উপস্থিতি ও সাশ্রয়ে কড়াকড়ি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন করে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই আদেশ জারি করা হয়। মূলত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পূর্বতন নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যেই এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে উপস্থিতির বিষয়ে কোনো শিথিলতা সহ্য করা হবে না: প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। কর্মসূচি প্রণয়ন: দাপ্তরিক অন্য কোনো কর্মসূচি বা মিটিং এমনভাবে নির্ধারণ করা যাবে না, যাতে উল্লিখিত সময়ে অফিস কক্ষে উপস্থিতিতে বিঘ্ন ঘটে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

  •     প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার: দিনের বেলায় পর্যাপ্ত আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি পরিহার করে জানালা ও পর্দা খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
  •     এসি নিয়ন্ত্রণ: এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখতে হবে।
  •     যথাযথ ব্যবহার: অফিস কক্ষে অবস্থানকালে কেবল প্রয়োজনীয় সংখ্যক লাইট, ফ্যান ও এসি চালু রাখা যাবে। কক্ষ ত্যাগের সময় বা অফিস শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টারসহ সব ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
  •     অপ্রয়োজনীয় বাতি: করিডোর, সিঁড়ি বা ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি জ্বালানো যাবে না এবং সরকারি বিশেষ নির্দেশনা ছাড়া কোনো ধরণের আলোকসজ্জা করা যাবে না।
  •     জ্বালানি সাশ্রয়: সরকারি যানবাহনের জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অধিকতর সাশ্রয়ী হতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় দাপ্তরিক কক্ষের পাশাপাশি করিডোর, টয়লেট ও সিঁড়ির হাতল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া এসব নির্দেশনা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা তদারকি ও মনিটরিং করার জন্য প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও কার্যালয়কে দ্রুত ‘ভিজিল্যান্স টিম’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।