খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সংক্রমণ প্রতিরোধে একটি মানসম্মত বাস্তবায়ন পদ্ধতির সফল প্রয়োগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সংক্রমণ প্রতিরোধে একটি মানসম্মত বাস্তবায়ন পদ্ধতির সফল প্রয়োগ

উপজেলা পর্যায়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির মানসম্মত বাস্তবায়ন কার্য্ক্রম মূ্ল্যায়ন করা হয়েছে। গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপারেশনাল প্ল্যান উপজেলা হেলথ কেয়ার ও কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ারের সহযোগিতায়। অর্থায়ন করেছে Integrated Health Science Research and Development Fund, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
এই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল – উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন সাব-সেন্টার এবং কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি এবং চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করা। এছাড়াও একটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যবস্থাগুলোকে উন্নত করা।
গবেষণায় দেখা যায়, পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর্মীদের সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রাপ্তির হার ১৮% থেকে বেড়ে ৬০% হয়েছে। জীবাণুমুক্ত যন্ত্রপাতির ব্যবহার এবং সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ২০% থেকে ৫০% পর্যন্ত উন্নতি পরিলক্ষিত হয়েছে। একই সঙ্গে রোগীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সন্তুষ্টির হার ৪৫% থেকে ৬৫%-এ পৌঁছেছে।
ডা. আবু হোসাইন মো.মইনুল আহসান, পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সভায় উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। গবেষণার প্রধান গবেষক ডা. ফারজানা তাহের মুনমুন। অধ্যাপক ডা. ফারিহা হাসিন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় উক্ত গবেষণা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন। ডা. ফাতেমা করিম, ডিপিএম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সভাটি সঞ্চালনা করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকবৃন্দ, পরিচালকবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালকবৃন্দ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
গবেষণার প্রধান গবেষক ডা. মুনমুন বলেন, “এই গবেষণার ফলাফল স্বাস্থ্যখাতে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে উপজেলাভিত্তিক পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, তদারকি ও স্থানীয় অংশীদারদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হলে সংক্রমণ হ্রাসে সফলতা পাওয়া যাবে।” গবেষণায় কিছু চ্যালেঞ্জও চিহ্নিত হয়েছে, যেমন লজিস্টিকসের পর্যাপ্ত ব্যবহার না হওয়া, প্রশিক্ষণের ঘাটতি, তদারকির দুর্বলতা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে স্বদিচ্ছার অভাব।
এই গবেষণার সুপারিশ অনুযায়ী, উপজেলা পর্যায়ে একটি মানসম্মত সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সক্রিয় কমিটি এবং জাতীয়-স্থানীয় পর্যায়ে জোরালো তদারকি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। গবেষণা কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন শাখা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, আইসিডিডিআরবিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আরিফুল হোসেন মন্তব্য করেন উক্ত গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল শুধুমাত্র উপজেলা নয়, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে এবং এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পৃথক বিভাগ চালু করা উচিত। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী বৃদ্ধিকরণের বিষয়ে নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টিপাত করার বিষয়ে মন্তব্য করেন ডা. জয়নাল আবেদিন টিটু, লাইন ডাইরেক্টর হাসপাতাল সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা।
ব্রিগে. জেনারেল আবু নোমান মোঃ মোসলেহ উদ্দিন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় উক্ত গবেষণা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশেসায়িত হাসপাতালে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ও তা বাস্তবায়ণের জন্য মনিটরিং এর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ব্রিগে. জেনারেল সাইদুর রহমান, পরিচালক কুর্মিটোলা বলেন হাসপাতাল বিদ্যামান যন্ত্রপাতি ও সামগ্রীর ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের দলগত প্রচেষ্টা প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং ডা. মুরাদ সুলতান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিনিধি এই গবেষণায় প্রস্তুতকৃত স্বাস্থ্য শিক্ষা উপকরণের বিষয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেন। ডা.রিজওয়ানুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) গবেষণা কার্যক্রমের প্রাপ্ত ফলাফল অন্যান্য সেবা প্রতিষ্ঠানে প্র্রয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

আরও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
ডা. ফারজানা তাহের মুনমুন
ওএসডি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
বর্তমানে KOICA ফেলোশিপ প্রোগ্রামে Yonsei University তে অধ্যায়নরত
ইমেইল: munmun854@gmail.com
হোয়াটসঅ্যাপ: +৮৮০১৭১১৪৬৩১৯২

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।