খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

চাঁদপুর ওয়ারলেস বাজারে পাবলিক টয়লেটের অভাবে হাজারো নিত্য ভোগান্তি

মুহাম্মদ বাদশা ভূঁইয়া
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর ওয়ারলেস বাজারে পাবলিক টয়লেটের অভাবে হাজারো নিত্য ভোগান্তি

চাঁদপুর শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যস্ততম বাণিজ্যিক ও ট্রাফিক পয়েন্ট হিসেবে পরিচিত ‘ওয়ারলেস বাজার’। চাঁদপুর পৌরসভার ১৩নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত এই এলাকাটি মূলত জেলা শহরের প্রবেশদ্বার। প্রতিদিন এই স্থান দিয়ে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। গড়ে উঠেছে বিশাল কাঁচাবাজার ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। কিন্তু আধুনিক নাগরিক সুবিধার এই যুগেও অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে এখানে নেই কোনো পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা। ফলে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী, ব্যবসায়ী, পথচারী এবং বিশেষ করে নারী ও শিশুরা অবর্ণনীয় কষ্টের শিকার হচ্ছেন।
চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঠিক পাশেই অবস্থিত ওয়ারলেস বাজার। এই মোড়টি চাঁদপুর শহরের সাথে কুমিল্লা, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে। এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে প্রতিদিন শত শত যাত্রীবাহী বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং পণ্যবাহী ট্রাক থামে। ওয়ারলেস বাজারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা কাঁচাবাজারে ভোর থেকেই ক্রেতা-বিক্রেতার ঢল নামে। এ ছাড়াও আশপাশে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। এত বিশাল কর্মযজ্ঞের এই কেন্দ্রে একটি পাবলিক টয়লেট না থাকাটা বর্তমান সময়ের এক বড় নাগরিক পরিহাস হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল।
সরেজমিনে ওয়ারলেস বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস থেকে নামা যাত্রীরা টয়লেটের প্রয়োজনে দিশেহারা হয়ে এদিক-ওদিক ছুটছেন। বিশেষ করে যারা লক্ষ্মীপুর বা নোয়াখালী থেকে চাঁদপুর হয়ে ঢাকা বা অন্য কোথাও যাতায়াত করেন, তাদের জন্য এই স্থানটি একটি বিরতিস্থল। কিন্তু এখানে নেমে টয়লেটের সুবিধা না পেয়ে তারা চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন।
ঢাকা অভিমুখী বাস যাত্রী আলামিন মুন্সি ক্ষোভের সাথে বলেন, দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা রাস্তায় থাকার পর স্বাভাবিকভাবেই টয়লেটের প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু এই ব্যস্ত বাজারে এসে যখন দেখি কোনো ব্যবস্থা নেই, তখন খুব অসহায় লাগে। বাধ্য হয়ে পাশের মসজিদ বা মাদ্রাসায় যেতে হয়। অনেক সময় তারা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ঢুকতে দিতে চায় না। এটি খুব অপমানজনক ও বিব্রতকর। পাবলিক টয়লেট না থাকার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নারী যাত্রীরা। পুরুষরা কোনোভাবে বিকল্প পথ খুঁজলেও নারীদের পক্ষে তা অসম্ভব। সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী রেবেকা সুলতানা বলেন, “জরুরি প্রয়োজনে নারীদের যে কী পরিমাণ কষ্ট হয়, তা কর্তৃপক্ষ বুঝলে হয়তো অনেক আগেই ব্যবস্থা নিত। আমাদের কোনো মানুষের বাসা খুঁজে বের করতে হয় কিংবা কোনো দোকানের পেছনে গিয়ে সাহায্য চাইতে হয়। একটি সভ্য সমাজে নাগরিক সুবিধা বলতে কিছুই নেই এখানে।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওয়ারলেস বাজার সংলগ্ন এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)-এর পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা পড়ে আছে। অথচ জায়গা থাকা সত্ত্বেও সেখানে একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি চাঁদপুর পৌরসভা বা সওজ কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় ব্যবসায়ী সাগর গাজী জানান, আমরা বছরের পর বছর ধরে এখানে একটি টয়লেটের দাবি জানিয়ে আসছি। পৌরসভা বলে জায়গা নেই, আবার সওজ বলে তারা পরিকল্পনা করছে না। মাঝখান থেকে আমাদের মতো ব্যবসায়ীরা এবং বাজারে আসা হাজার হাজার ক্রেতা কষ্ট পাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল বলেন, পৌরসভা চাইলে সওজ-এর সাথে সমন্বয় করে খুব সহজেই একটি আধুনিক পাবলিক টয়লেট তৈরি করতে পারত। এর জন্য বড় কোনো বাজেটের চেয়ে মানসিক সদিচ্ছার বেশি প্রয়োজন।
বাজারে পাবলিক টয়লেট না থাকায় এলাকার মসজিদগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। মুসুল্লিদের ইবাদতের জন্য সংরক্ষিত অজু ও টয়লেটের জায়গাগুলোতে সাধারণ মানুষের ভিড় লেগে থাকে। এতে মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা যেমন কঠিন হচ্ছে, তেমনি মুসুল্লিদের ওজু করার ক্ষেত্রেও বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। অনেক সময় অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে যখন মসজিদ কমিটি বহিরাগতদের প্রবেশে বাধা দেয়। ওয়ারলেস বাজারের সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, চাঁদপুর পৌরসভা শহরের অন্যান্য এলাকায় যেভাবে টয়লেট পরিচালনা করছে, এখানেও একই মডেল অনুসরণ করা যেতে পারে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, “পৌরসভা এখানে একটি আধুনিক কমপ্লেক্স তৈরি করতে পারে যেখানে স্বল্প খরচে ব্যবহারের বিনিময়ে টয়লেট পরিচালনা করা হবে। সেখানে পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে এবং সার্বক্ষণিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য স্টাফ নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। এতে পৌরসভার যেমন আয় হবে, তেমনি সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও এক নিমেষে দূর হবে।”
যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগের ফলে এলাকার পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। বাজারের পেছনের গলি বা ড্রেনের পাশে অনেকেই অস্বাস্থ্যকরভাবে প্রাকৃতিক কাজ সারছেন, যার ফলে মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে এবং দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য এক বড় হুমকি। বিশেষ করে বর্ষাকালে এই অবস্থা আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।
কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ
চাঁদপুর জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের দাবি, আর কত বছর অপেক্ষা করলে এই নূন্যতম নাগরিক সুবিধাটি নিশ্চিত হবে?
চাঁদপুর একটি পর্যটন ও ব্যবসা-সফল জেলা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। ইলিশের বাড়ি হিসেবে খ্যাত এই শহরের প্রবেশদ্বারে এমন একটি জনদুর্ভোগ কোনোভাবেই কাম্য নয়। ওয়ারলেস বাজারের এই সমস্যাটি এখন কেবল একটি দাবি নয়, বরং এটি হাজারো মানুষের অধিকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করে চাঁদপুরকে একটি স্মার্ট ও নাগরিকবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলবে—এটাই এখন সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।