খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সাংবাদিকতায় মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয় নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকতায় মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয় নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া

অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় এবং পেশার প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকলে কোনো বাধাই শেষ পর্যন্ত বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না—এ কথারই বাস্তব প্রতিফলন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার সাম্প্রতিক সাফল্য। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) পরিচালিত গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ে মাস্টার্স পরীক্ষায় তিনি প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন। তার এই অর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবসহ সাংবাদিক সমাজে আনন্দের বন্যা বইছে।
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার এই অর্জন কেবল একটি একাডেমিক ফলাফল নয়; এটি এক দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া, ক্লাসে উপস্থিত থাকা এবং নির্ধারিত সময়ে সবকিছু সম্পন্ন করা—এসবই তার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত। মাঠপর্যায়ে কাজের চাপ, সংবাদ সংগ্রহ, সম্পাদনা ও প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময়ই ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষাজীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু সেই প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করেই তিনি নিজের লক্ষ্য অর্জন করেছেন।
নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই বয়সে এসে সহপাঠীদের সঙ্গে বসে পড়াশোনা করা সহজ ছিল না। সুদূর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকায় এসে ক্লাস করা আমাদের জন্য সত্যিই কষ্টকর ছিল। প্রতিটি ক্লাসের জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হতো, অনেক সময় ক্লান্তি ভর করতো। তবুও শেখার আগ্রহই আমাদের সামনে এগিয়ে নিয়েছে।
তার এই বক্তব্যে উঠে আসে একজন সংগ্রামী শিক্ষার্থীর বাস্তব চিত্র। ভোরে রওনা দিয়ে রাজধানীতে ক্লাস করা, আবার রাতে ফিরে যাওয়া—এই চক্রের মধ্যেই কেটেছে তার শিক্ষাজীবনের বড় একটি অংশ।
গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসে। তাই নিজেকে দক্ষ ও আপডেট রাখতে পড়াশোনার বিকল্প নেই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং পিআইবির এই কোর্সটি তাকে সাংবাদিকতার তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে। সংবাদ লেখার কৌশল, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমের নৈতিকতা, ডিজিটাল সাংবাদিকতা—এসব বিষয়ে তিনি নতুন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদের অবদান গভীরভাবে স্মরণ করেছেন নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক পঙ্কজ কর্মকার, মুনিরা শারমিন, শুভ কর্মকার, লাজিনা জাসলিনসহ প্রেস ইনস্টিটিউটের সকল শিক্ষককে। তাদের দিকনির্দেশনা, আন্তরিকতা এবং সহযোগিতা আমাকে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন শিক্ষকদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা তাকে প্রতিটি ধাপে সাহস জুগিয়েছে। কঠিন বিষয়গুলো সহজভাবে বুঝিয়ে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের আন্তরিক আচরণ তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
শিক্ষাজীবনের এই পথচলায় সহপাঠীদের ভূমিকাও কম নয়। নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে একটি চমৎকার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করেছি, একসঙ্গে পড়াশোনা করেছি। বিশেষভাবে প্রিয় সহপাঠী উজ্জ্বল হোসাইন ও মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনের কথা উল্লেখ করতে চাই, যারা সবসময় পাশে ছিল। তিনি জানান, ক্লাসরুমের আলোচনা, গ্রুপ স্টাডি, পরীক্ষা প্রস্তুতি—সবকিছু মিলিয়ে তাদের মধ্যে এক ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যা তাদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার এই সাফল্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সদস্যদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। সহকর্মী সাংবাদিকরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং তার এই অর্জনকে পুরো জেলার জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রেসক্লাবের একাধিক সদস্য বলেন, নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া সবসময় নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন। তার এই একাডেমিক সাফল্য প্রমাণ করে, তিনি নিজেকে আরও উন্নত করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।
এই সাফল্যের পেছনে পরিবারের সমর্থন ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত পড়াশোনা, ক্লাসে অংশগ্রহণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালন—সবকিছু একসঙ্গে সামলাতে পরিবারের সহযোগিতা তাকে মানসিকভাবে শক্তি জুগিয়েছে। তিনি বলেন, আমার পরিবারের সদস্যরা সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছে। তাদের সমর্থন না থাকলে এই পথচলা এত সহজ হতো না। এই অর্জন তার পেশাগত জীবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, এই কোর্স আমাকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। এখন আমি আরও দায়িত্বশীলভাবে এবং দক্ষতার সঙ্গে সাংবাদিকতা করতে পারবো। তিনি ভবিষ্যতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন তৈরিতে আরও মনোযোগী হতে চান। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তরুণ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শেখার কোনো শেষ নেই। পেশার পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে, সত্যের প্রতি অটল থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বপূর্ণ পেশা, যেখানে সততা, নৈতিকতা এবং সাহসিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার এই অর্জন নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কর্মজীবনের ব্যস্ততা, পারিবারিক দায়িত্ব এবং দূরপাল্লার যাত্রার ক্লান্তি—সবকিছু অতিক্রম করে তিনি যে সাফল্য অর্জন করেছেন, তা প্রমাণ করে—ইচ্ছাশক্তি থাকলে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।
তার এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য একটি গর্বের বিষয়। বিশেষ করে যারা কর্মজীবনের পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান, তাদের জন্য নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার এই গল্প একটি শক্ত প্রেরণা হয়ে থাকবে। স্বপ্ন দেখুন, পরিশ্রম করুন—সাফল্য আসবেই—এই বিশ্বাসকেই নতুন করে দৃঢ় করেছে তার এই অর্জন।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।