খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

কোন পথে বিএনপি?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫, ২:০০ অপরাহ্ণ
কোন পথে বিএনপি?

বাংলাদেশের রাজনীতির বর্তমান পর্বটি নিঃসন্দেহে একটি সন্ধিক্ষণ। রাষ্ট্রক্ষমতার চিরচেনা খেলায় এবার যুক্ত হয়েছে সংস্কারের প্রস্তাব,জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ,আর তার মধ্য দিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা। এই ন্যারেটিভের কেন্দ্রে বিরোধী দল বিএনপি। দলটির জন্য এটি যেন দুই ধারালো ধারের তরবারি। কোনো সিদ্ধান্তই পুরোপুরি নিরাপদ নয়; বরং উভয় পথেই রয়েছে সংকট ও সম্ভাবনার দ্বৈত দরজা।
ঐকমত্য কমিশনের কিছু সুপারিশ বিএনপির কাছে অস্বস্তিকর বলে মনে হওয়াই স্বাভাবিক। কেননা এগুলো তাদের ঘোষিত আন্দোলন-রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি করে। একটি দল যখন দীর্ঘদিন ধরে দাবি তোলে -‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হলে নির্বাচন হবে না’,তখন হঠাৎ করে সেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ভেতরেই সংস্কার আলোচনায় টেনে আনা রাজনৈতিকভাবে কঠিনই বটে। এখানে বিএনপির এখনকার অবস্থান অনেকটা এমন: সুপারিশগুলোর প্রতি দরজা খুলে দিলে নিজস্ব রাজনৈতিক বিবৃতির ধার কমে যেতে পারে, আর পুরোপুরি ঠেলে দিলে ‘সংস্কারবিরোধী’,’অসহযোগী’ তকমা লেগে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘ইমেজ’একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপিকে ‘নেতিবাচক রাজনীতি’ বা বি- রাজনীতির কাঠামোতে ফেলতে চেয়েছে। কমিশনের প্রস্তাব যদি বিএনপি সোজাসুজি প্রত্যাখ্যান করে,তাহলে সেই ইমেজ ফেরে আসার সুযোগ আরও দৃঢ় হতে পারে। অন্যদিকে গ্রহণ করলেও প্রশ্ন -তাহলে গত দেড় দশকের আন্দোলন এবং তার রাজনৈতিক দাবি-দাওয়া কোথায় দাঁড়াবে?
এখানেই বিএনপির বাস্তবতা ও কৌশলের জটিল যোগসূত্র।
অনেকে বলছেন -সময়ের চাকা বদলেছে। গণআন্দোলনের জোয়ারের অপেক্ষা,কিংবা নির্বাচনী বয়কট-কেন্দ্রিক কৌশল-এগুলো অতীতে যতটা কার্যকর ছিল,বর্তমান বাস্তবতায় তা ততটা নিশ্চিত নয়। সমাজ-অর্থনীতি-প্রশাসনিক কাঠামো – সবকিছুতেই ক্ষমতার স্থায়িত্বের কৌশল আরও পরিপূর্ণ হয়েছে। ফলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সামনে থাকা পথ সংকীর্ণ। এই সংকীর্ণ পথেই বিএনপিকে এখন হাঁটতে হচ্ছে।
এখানে আরেকটি বিষয় খেয়ালযোগ্য -সংস্কার প্রসঙ্গ। বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কারের আলোচনা নতুন নয়,কিন্তু তা কখনো বাস্তব রূপ পায়নি। ক্ষমতার পালাবদলে প্রতিপক্ষের জন্য কাঠামো বদলানোর চেষ্টা,আর নিজের ক্ষমতার সময় সেই কাঠামো রক্ষার প্রবণতা -এটাই গত তিন দশকের ধারা। কমিশনের প্রস্তাব তাই শুধু নীতিগত আলোচনা নয়; এটি ক্ষমতার ভবিষ্যৎ বণ্টনের নতুন আখ্যান। এই আখ্যানের বাইরে থাকলে কেউ একদিন অপরিহার্যতার বাইরে চলে যেতে পারে -এই ভয় বিএনপি অনুভব করছে বলেই মনে হয়।
তবে প্রশ্ন হলো -জনগণের অবস্থান কোথায়? রাজনীতি যদি জনতাভিত্তিক শক্তির খেলা হয়,তাহলে বিএনপিকে ভাবতে হবে ভোটার-সমর্থক-সমাজের মধ্যবিত্ত অংশগুলো কী ভাবছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা,অর্থনৈতিক চাপ,কর্মসংকট -এই সময়ে সাধারণ মানুষ স্থিতি চায়। তারা পরিবর্তন চায়,কিন্তু পরিবর্তন যেন অস্থিরতার সমার্থক না হয়। বিএনপি যদি পরিবর্তনের বয়ানকে স্থিতির বয়ানের পাশে দাঁড় করাতে না পারে,তবে তাদের বার্তা জনমনে স্পষ্টভাবে পৌঁছবে না।
একই সাথে দলটির ভেতর যে কৌশলগত ভিন্নমত রয়েছে,তা গঠনতান্ত্রিক দুর্বলতার ইঙ্গিতও দেয়। সুপারিশ গ্রহণ-বর্জনের প্রশ্ন শুধু আদর্শ নয় -দলটির নেতৃত্ব,ভবিষ্যৎ প্রজন্ম,এবং কেন্দ্র-বাহিরের সংগঠনের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করছে। দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের এখানেই ভূমিকা -আবেগ নয়,বাস্তবতার সঙ্গে নীতি-আদর্শের সঠিক সমন্বয়।
তাহলে কী হওয়া উচিত বিএনপির পথ? প্রথমত,যেকোনো রাজনৈতিক দলকে প্রমাণ করতে হয় -তারা শুধু ক্ষমতার জন্য নয়,রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্য বিকল্প ভিশন রাখে। বিএনপি যদি সংস্কার ইস্যুকে সরাসরি অস্বীকার না করে বরং নিজের সংস্কার-রূপকল্প তুলে ধরে,তা হলে তা পরিণত রাজনীতির পরিচয় হবে। দ্বিতীয়ত,জনগণের দিকে তাকানো জরুরি। তাঁদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি,সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রশ্নে বিকল্প ব্যাখ্যা দেওয়া – এগুলো আরও জোরদার করা উচিত। তৃতীয়ত,দলীয় অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া আরও স্পষ্ট করা দরকার। বিভাজন ও সন্দেহ রাজনীতিকে দুর্বল করে।
বাংলাদেশ এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে,যখন রাজনৈতিক বলবৎ সত্যগুলো দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ক্ষমতাসীনদের শক্ত অবস্থান,প্রশাসনিক সক্ষমতা,এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির বাস্তবতা -সব মিলিয়ে এই মুহূর্ত কঠিন। কিন্তু সংকটে সুযোগ থাকে। বিএনপি যদি কৌশলগত ধৈর্য ও সৃজনশীল রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাতে পারে,তবে তার সামনে পথ আছে। আর যদি আবার পুরোনো দ্বিধা ও প্রত্যাশাহীন পথে হাঁটে -তাহলে ইতিহাসের মোড় হয়তো অন্যদিকে ঘুরে যাবে,বিএনপিকে প্রান্তসীমায় রেখে।
রাজনীতি আসলে সময়ের সঙ্গে তাল মিলাতে পারার শিল্প। আজ সেই শিল্পের পরীক্ষায় বিএনপি দাঁড়িয়ে। উত্তীর্ণ হতে হলে শুধু স্লোগান ন-দূরদৃষ্টি,আত্মসমালোচনা,এবং জনগণের সঙ্গে গভীর সংযোগ-এই তিনটির সমন্বয়ই তাদের প্রকৃত অস্ত্র। এখন দেখার পালা -তারা সেই অস্ত্র ঘষে-মেজে নেবে,নাকি তাকেই ভুলে যাবে ইতিহাসের করিডোরে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।