খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত পাকিস্তান

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে, পাকিস্তান ও ইরান একে অপরের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর ফলে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত সামরিক উত্তেজনা দেখা দেয়। এর ১৭ মাস পর ইরানে ইসরাইলের হামলার তীব্র নিন্দা জানাল পাকিস্তান। এই হামলার ফলে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও ইসলামাবাদের উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানান বিশ্লেষকরা।
১৩ জুন ইসরাইল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে একাধিক ইরানি জেনারেল এবং পারমাণবিক বিজ্ঞানীকে হত্যা করার পর, পাকিস্তান ইসরাইলি পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানায়। এমনকি ইসলামাবাদ ইসরাইলি হামলাকে ইরানের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং এগুলোকে প্রকাশ্য উস্কানি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
১৩ জুন ইরানে ইসরাইলের হামলার পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং জাতিসংঘের দায়িত্ব আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখা, অবিলম্বে এই আগ্রাসন বন্ধ করা এবং আক্রমণকারীকে তার কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি করা।’
ইরানের উপর ইসরাইলি আক্রমণ এবং তেহরানের পাল্টা হামলা যখন ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে, তখন বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্রমবর্ধমান সংঘাত ইসলামাবাদে আতঙ্কের জন্ম দিচ্ছে, যার মূলে রয়েছে তেহরানের সাথে তার জটিল সম্পর্ক এবং পাকিস্তান সীমান্তের কাছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর বিমান প্রভাব বিস্তার নিয়ে আরও বেশি অস্বস্তি।
ইরান-ইসরাইলি সংঘর্ষে মানুষের প্রাণহানি ক্রমশ বাড়ছে। ইরানের উপর ইসরাইলের হামলায় ইতিমধ্যেই ২২০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত এক হাজারেরও বেশি মানুষ। প্রতিশোধ হিসেবে, ইরান ইসরাইলি ভূখণ্ডে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যার ফলে ২০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ব্যাপক সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। পাকিস্তান, যার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তান হয়ে ইরানের সাথে ৯০৫ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে, তেহরানের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছে। একই সাথে ১৫ জুন থেকে বেলুচিস্তানে পাঁচটি সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ৫০০ জনেরও বেশি পাকিস্তানি নাগরিক, ইরান থেকে ফিরে এসেছেন।
এদিকে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সীমান্ত কার্যকরভাবে সিল করার সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে বেলুচিস্তানের নিরাপত্তা নিয়ে পাকিস্তানের উদ্বেগ।  মে মাসে ভারতের সাথে পাকিস্তানের সংক্ষিপ্ত সামরিক সংঘাতের সময়ও ইরান সতর্কতার সাথে পক্ষ নেয়া এড়িয়ে চলে। সোমবার, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার সংসদে ভাষণ দেন। পাকিস্তান ইরানের সাথে কীভাবে কথা বলছে তার উপর জোর দিয়ে পরামর্শ দেন, ইসলামাবাদ ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সামরিক শত্রুতা বন্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করতে ইচ্ছুক।
পর্যবেক্ষকদের মতে, পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হল বেলুচিস্তানের সম্ভাব্য পরিণতি, যা একটি সম্পদ সমৃদ্ধ কিন্তু অশান্ত প্রদেশ। তেল, গ্যাস, কয়লা, সোনা এবং তামা সমৃদ্ধ, বেলুচিস্তান আয়তনের দিক থেকে পাকিস্তানের বৃহত্তম কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ছোট প্রদেশ, যেখানে প্রায় দেড় কোটি লোক বাস করে।
১৯৪৭ সাল থেকে, বেলুচিস্তানে কমপক্ষে পাঁচটি বিদ্রোহ হয়েছে, যার সর্বশেষ শুরু ২০০০ সালের গোড়ার দিকে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো স্থানীয় সম্পদের একটা বড় অংশ এবং স্বাধীনতার দাবি করেছে। যার ফলে কয়েক দশক ধরে সামরিক দমন-পীড়ন চলছে।
অন্যদিকে, বেলুচ জাতীয়তাবাদীরা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে স্থানীয় উন্নয়নকে উপেক্ষা করে সম্পদ শোষণের অভিযোগ তুলেছেন। বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো বিশেষ করে বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং বেলুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট (বিএলএ), স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তানে বিদ্রোহ চালিয়ে আসছে।
সিঙ্গাপুরের এস রাজারত্নম স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের রিসার্চ ফেলো আব্দুল বাসিত আল জাজিরাকে বলেন, ‘পাকিস্তানের ভেতরে একটি বড় উদ্বেগ রয়েছে যে, যুদ্ধ আরও তীব্র হলে, বিএলএ এবং বিএলএফের মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা, যাদের অনেকেই ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকায় বাস করে, তারা দুই দেশের মধ্যে ভাগ করা সীমানা অতিক্রম করে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সুরক্ষা খোঁজার চেষ্টা করতে পারে।
তাই অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণের জন্য পাকিস্তানকে ক্রসিং বন্ধ করতে হয়েছিল। তারা সফলভাবে এটি করতে পারে কিনা তা দেখার বিষয়, তবে অন্তত এটিই তাদের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।