খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

তামিম ইকবাল কেন এত আলোচনায়?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
তামিম ইকবাল কেন এত আলোচনায়?

কখনো প্রতিপক্ষ, কখনো ম্যানেজমেন্ট আবার কখনো সতীর্থ—তামিম ইকবালের মেজাজ হারানোর ভুক্তভোগী হওয়া থেকে বাদ পড়ছেন না কেউই। এবারের বিপিএলে মাঠের পারফরম্যান্সের আলোচনার বাইরে মূলত আলাপটা চলছে ফরচুন বরিশাল অধিনায়কের ঘন ঘন মেজাজ গরম করা নিয়েই। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে পক্ষে-বিপক্ষে বহু আলোচনা।

রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচে অ্যালেক্স হেলস, ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে সাব্বির আহমেদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন তামিম ইকবাল। ফরচুন বরিশাল অধিনায়কের মেজাজ হারানোর কথা স্ট্যাম্প মাইকের সুবাদে শুনেছেন দর্শকরাও। আবার বিসিবি সভাপতি মঞ্চে দেরিতে ওঠায় ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার নেননি—এমন ঘটনাও ঘটেছে।

সবশেষ তামিম ইকবালের মেজাজ হারানোর ঘটনা দেখা গিয়েছে চিটাগাং কিংসের বিপক্ষে ম্যাচে। সতীর্থ ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির সূত্রে আউট হয়েছিলেন তামিম। এরপরই রাগত চাহনি ছিল তার। এ নিয়েও সরব ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেও এখনো ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ব্যস্ততায় কাটছে তামিম ইকবালের। চলমান বিপিএলে ব্যাট হাতে মন্দ কাটছে না। এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচে ২৩০ রানে দলের হয়ে সর্বোচ্চ সংগ্রাহক এই ওপেনার। খারাপ অবস্থায় নেই তার দল ফরচুন বরিশালও। ৭ ম্যাচে ৫ জয় নিয়ে টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফরচুন বরিশাল। তবুও মাঠের পারফরম্যান্স ছাপিয়ে বাইরের কর্মকাণ্ডে বেশি আলোচনায় তামিম।
তামিম-হেলস কাণ্ড

বিপিএল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক ম্যাচ দেখা গিয়েছিল সেদিন সিলেটে। অবিশ্বাস্য ও শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে শেষ ওভারে ২৬ রান তাড়া করে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালকে হারায় আরেক জায়ান্ট রংপুর রাইডার্স। এদিন ম্যাচ শেষেই ঘটেছিল অপ্রীতিকর ঘটনাটি। জানা গেছে, ম্যাচ শেষে দুই দলের ক্রিকেটাররা যখন হাত মেলাতে যান তখন হেলস আপত্তিকর মুখভঙ্গি করেন তামিমকে উদ্দেশ করে। বরিশাল অধিনায়ক সেটা ভালোভাবে নেননি।

হেলসকে উদ্দেশ্য করে তখন তামিম বলেন, ‘এ রকম করছ কেন? কিছু বলার থাকলে মুখে বলো। বি আ ম্যান।’ এরপর হেলসও জবাব দিয়েছেন। তাতে তর্কে জড়িয়ে পরেন এই দুই ক্রিকেটার। এক পর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে হেলসের দিকে তেড়ে যেতে চান তামিম। তখন তামিমকে টেনে ধরেন রংপুরের টিম ডিরেক্টর শাহনিয়ান তানিম। বাকি ক্রিকেটার ও স্টাফরাও দুজনকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। ম্যাচশেষে তামিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন হেলস। আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় শাস্তিও পেতে হয়কে বরিশাল কাপ্তানকে।
‘বেশি লাগতে আইসো না সাব্বির’

আগের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও আলোচনায় উঠে আসেন তামিম। এবার সাব্বির রহমানের সঙ্গে বিবাদে জড়াতে দেখা যায় তাকে। ঘটনাটি ঘটে ফরচুন বরিশাল বনাম ঢাকা ক্যাপিটালস ম্যাচে। সাব্বিরের ফেইক ফিল্ডিং করা নিয়ে মেজাজ হারান তামিম। এ সময় মাঠেই তাকে বলতে শোনা যায় ‘বেশি লাগতে যেও না সাব্বির, বেশি লাগতে যেও না।’ আরও কিছু বলছিলেন, যা স্পষ্ট শোনা যায়নি। ঘটনার পর সাব্বির তামিমের দিকে এগিয়ে আসতে থাকলে পরিস্থিতি সামাল দেন ঢাকার অধিনায়ক থিসারা পেরেরা। সাব্বিরকে থামিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চালান। একই ম্যাচে পুরস্কার বিতরণীর মঞ্চে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ দেরি করে আসায় ম্যাচসেরার পুরস্কার নেননি তামিম।

এক সময়ের সতীর্থর মাঠের বিষয়টি অবশ্য ‘হিট অব দ্য মোমেন্ট’ হিসেবেই মেনে নিয়েছিলেন সাব্বির। তামিমের মেজাজ গরম করা নিয়ে পরে বলছিলেন, ‘মাঠের মধ্যে যে ঘটনাই হোক, এটা মাঠের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় আমাদের। তামিম ভাই আমার সিনিয়র বড় ভাই। রেসপেক্টেড বড় ভাই এবং লেজেন্ড ক্রিকেটার। এরকম ক্রিকেটার বাংলাদেশে আসবে ও না, আমি জানি। ওনার হিট অব দ্য মোমেন্টে এটা হয়ে গেছে। আমি ওটা কিছু মনে করিনি।’
‘টিভির এক-দুই ঝলক দেখেই সিদ্ধান্ত নয়’

তাকে নিয়ে চারদিকে যে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছিল, সেটি বুঝতে পারছিলেন তামিম নিজেও। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে শেষমেশ ফেসবুকে এক পোস্টে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন তারকা এই ক্রিকেটার। তামিম বলছিলেন, ‘অনেক সময়ই অনেকে টিভিতে দু-একটি দৃশ্য দেখে নানা রকম ধারণা করে ফেলেন। গত কয়েক দিনে আমাকে নিয়েও এরকম হয়েছে। কিন্তু কোনো ঘটনা তো হুট করে হয় না। এটার পেছনেও অনেক ঘটনা থাকে। মাঠে এরকম অনেক কিছুই হয়, যা টিভিতে পুরোপুরি ফুটে ওঠে না এবং সেটা উচিতও নয়।’

তামিম পরে যোগ করেন, ‘টিভিতে দু-একটি দৃশ্য দেখেই চূড়ান্ত ধারণা নেওয়া উচিত নয়। যাদের নিয়ে ঘটনা, যারা মাঠে থাকেন, তারা সবকিছু জানেন। আজকের উদাহরণ দিয়েই আবার বলছি, টিভিতে এক-দুই ঝলক দেখেই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাওয়া উচিত নয়।’

সতীর্থ অনেক ক্রিকেটারের চোখেই তামিম সত্যিকারের টিমম্যান। ঠান্ডা মাথার তামিমকেই এতদিন চিনতো তার ভক্ত সমর্থকরাও। সেই তামিম হঠাৎ যেন কারও কারও কাছে কত অচেনা। ঘন ঘন মেজাজ হারানোর ঘটনায় তৈরি করছে বিস্ময়ও। রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেই সঙ্গে সমালোচনাও হচ্ছে তামিমের।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।