খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

শামীমের মারকুটে ব্যাটিং নিয়ে যা বললেন বিসিবির নির্বাচক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
শামীমের মারকুটে ব্যাটিং নিয়ে যা বললেন বিসিবির নির্বাচক

এক ম্যাচ হাতে রেখেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল (বুধবার) সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টাইগাররা মাত্র ১২৯ রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ বোলিংয়ে টাইগাররা ২৭ রানে জিতেছে। সিরিজ নিশ্চিত করা দুটি জয়ের ম্যাচে ব্যাট হাতে কার্যকরী ছিলেন শামীম পাটোয়ারী। তার মারকুটে ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করেছেন বিসিবির নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক।

গতকাল সিলেটে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্জাক বলেন, ‘শামীমকে আমরা শুরু থেকেই দলে নিয়েছিলাম, কারণ এমন ব্যাটারই আমরা চাইছিলাম। তবে তার ওপর অনেক প্রত্যাশা ছিল, যা তাকে চাপে ফেলে দেয়। সেই সময় তার পারফরম্যান্স ভালো হয়নি। কিন্তু এখন সে ওই জায়গায় উন্নতি করেছে। এমন শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে তার পারফরম্যান্স প্রমাণ করে দিচ্ছে, সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত।’

বাংলাদেশের বর্তমান বোলিং আক্রমণ সময়ের সেরা লাইনআপ বলেও মন্তব্য করেছেন এই নির্বাচক, ‘আমার ক্রিকেট জীবনের সময়কাল থেকে বলব, আমাদের দল এখন সবচেয়ে সেরা বোলিং লাইনআপ নিয়ে খেলছে। আগে আমরা স্পিননির্ভর ছিলাম। কিন্তু এখন সব ধরনের আক্রমণ আমাদের আছে। এমনকি বেঞ্চেও এখন দুর্দান্ত মানের বোলাররা বসে থাকে। পেস বোলিং শক্তিশালী হওয়ায় দলের ভেতরের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়েছে।’

এর আগে ওয়ানডে সিরিজে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখাতে পারেনি বাংলাদেশ। ফলে তারা তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। সেই ব্যর্থতা নিয়ে সাবেক তারকা স্পিনার রাজ্জাক বলেন, ‘ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে আমরা মোমেন্টাম পেয়েছিলাম, কিন্তু তা ধরে রাখতে পারিনি। তবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আমরা সেটা ক্লিক করতে পেরেছি। যদি কোনো একটি বিভাগ খারাপ করে, অন্য একটি বিভাগ সেটি কাভার করার চেষ্টা করে। এটাই দলের শক্তিশালী কম্বিনেশন। আজকের (গতকাল) ম্যাচে বোলাররা সেটাই করেছে।’

প্রসঙ্গত, সিরিজের প্রথম ম্যাচে টেল-এন্ডারে নেমে মাত্র ১৩ বলে ১টি চার ও ৩ ছক্কায় ২৭ রানের ইনিংস খেলেন শামীম। সেই ম্যাচে ১৪৭ রান করা বাংলাদেশ জয় পায় ৭ রানে। এরপর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আরও কার্যকরী ছিল বাঁ-হাতি এই ব্যাটারের ভূমিকা। ব্যাটিং ব্যর্থতার মাঝে নেমেই শামীম মাত্র ১৭ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে আগামীকাল (শুক্রবার) মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।