খুঁজুন
                               
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

ভারতকে বয়কট করায় কী কী শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
ভারতকে বয়কট করায় কী কী শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান?

ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বর্জনের নির্দেশ দিয়েছে তাদের সরকার। এমন সিদ্ধান্তের কারণে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তাদেরকে আসন্ন টুর্নামেন্টে নিষেধাজ্ঞাসহ বেশ কিছু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে কলম্বোতে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ভারত ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি। বিশ্বকাপের এক সপ্তাহ আগে এই পদক্ষেপ নেওয়ায় ইতোমধ্যে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইসিসি। পরিণতিতে তাদের বিরুদ্ধে শীর্ষ দেশগুলোর দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে অস্বীকৃতি, বড় ধরনের আর্থিক নিষেধাজ্ঞা ও পিএসএলে বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞার মতো শাস্তির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পিটিআই-কে আইসিসি বোর্ড সূত্র বলেছেন, ‘পিসিবি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে কিছু জানায়নি। কিন্তু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হওয়ায় আইসিসি কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। কাল (সোমবার) আইসিসি বোর্ড বৈঠক করবে এবং টুর্নামেন্টে পাকিস্তানকে খেলতে দেওয়া উচিত কি না সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাদেরকে যদি খেলতে দেওয়াও হয়, তবুও পিসিবিকে কিছু কঠোর শাস্তি দেওয়া হতে পারে।’
পিসিবির বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তি নেওয়া হতে পারে? তিনি বললেন, ‘তারা চুক্তি লংঘন করেছে, তাতে করে আইসিসির সদস্য বোর্ডগুলো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে পাকিস্তান সফর প্রত্যাখ্যান করতে পারে। আর যদি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ তারা খেলেও এমন ব্যবস্থা নিতে হবে যেন তিন ফরম্যাটেই তাদের আইসিসি র‌্যাংকিংয়ে ফল কোনো প্রভাব না রাখতে পারে। এছাড়া পাকিস্তানকে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্টও না দেওয়া হতে পারে।’
পাকিস্তানের রাজস্ব খাতে ধাক্কা দিতে পিএসএলেও কিছু নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। ওই আইসিসি সূত্র বললেন, ‘অবসর নেওয়া খেলোয়াড় বা ফ্রি এজেন্ট ছাড়া, বর্তমান বিদেশি আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দেরকে পিএসএলে অংশগ্রহণে নিষিদ্ধ করা যেতে পারে। পাশাপাশি, আইসিসির হোস্ট ব্রডকাস্টার জিও-স্টারের যে লাখ লাখ ডলার ক্ষতি হতে চলেছে, সেটাও পিসিবিকে পুষিয়ে দিতে হবে। আর না বললেই নয়, তাদের বার্ষিক রাজস্বও বন্টন করা হবে।’
আইসিসি পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিলে উগান্ডা তাদের পরিবর্তে খেলবে। আর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বোর্ড মিটিংয়ের পর।
আপাতত সম্ভাব্য যেসব শাস্তি হতে পারে-
পয়েন্ট নষ্ট
স্বাভাবিকভাবে ভারতের বিপক্ষে না খেললে সেই ম্যাচের কোনও পয়েন্ট পাবে না পাকিস্তান। ২ পয়েন্ট দেওয়া হবে ভারতকে। আইসিসির ১৬.১০.৭ ধারা বলছে, কোনো দল যদি দল না নামায় তা হলে তাদের নেট রানরেটেও প্রভাব পড়বে। তাতে পাকিস্তানের নেট রানরেট অনেকটা কমে যেতে পারে। কিন্তু ভারতের নেট রানরেটে কোনো প্রভাব পড়বে না।
হাইব্রিড মডেল ভঙ্গের শাস্তি
পাকিস্তানের দাবি মেনেই ভারতের মাটিতে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হাইব্রিড মডেল এনেছে আইসিসি। অর্থাৎ, পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলছে। সেই মতো সূচি হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান সেখানেও ভারতের বিপক্ষে খেলতে চাইছে না। ফলে চুক্তি লংঘন হচ্ছে, সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আর কোনো প্রতিযোগিতায় হাইব্রিড মডেলের দাবি করতে পারবে না পাকিস্তান। যেখানে খেলা হবে, সেখানেই খেলতে হবে তাদের।
আর্থিক লোকসান
আইসিসির কোনো বড় প্রতিযোগিতার আগে বিশ্বক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয় পূর্ণ সদস্য দেশের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইসিসির সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও চুক্তি হয়েছে। শেষ মুহূর্তে ভারতের বিপক্ষে না খেললে চুক্তিভঙ্গ করবে পাকিস্তান। প্রতি বছর পাকিস্তানকে লভ্যাংশ হিসাবে ৩১৬ কোটি টাকা দেয় আইসিসি। তারা ইতোমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে, পাকিস্তান বিশ্বকাপ বয়কট করলে লভ্যাংশ কেটে নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে অনেক টাকা লোকসান হবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের।
আইসিসির নির্বাসনের শাস্তি
ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের না খেলার সিদ্ধান্ত সে দেশের সরকারের। সে ক্ষেত্রে ক্রিকেটে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে পাকিস্তানকে নির্বাসিত করতে পারে আইসিসি। ঠিক যেমনভাবে অতীতে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কাকে আইসিসি নির্বাসিত করেছিল। এমনকি আইসিসির নির্দেশ মেনে এশিয়া কাপ থেকেও পাকিস্তানকে নির্বাসিত করতে পারে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল।
একঘরে পাকিস্তান ক্রিকেট
পাকিস্তান ভারত-ম্যাচ বয়কট করলে ভবিষ্যতে তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ় খেলার আগে ভাববে বিভিন্ন দেশ। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ়ের সূচিও আইসিসি তৈরি করে। ভবিষ্যতে কোনো দেশ পাকিস্তানে খেলতে যাওয়ার আগে বা পাকিস্তানকে ডাকার আগে ভাববে। ফলে ক্রিকেটে একঘরে হয়ে যেতে পারে পাকিস্তান।
সংশয়ে পাকিস্তান সুপার লিগ
পাকিস্তান সুপার লিগের মূল আকর্ষণ বিদেশি ক্রিকেটার। কিন্তু পাকিস্তান ভারত ম্যাচ বয়কট করলে বিভিন্ন দেশ তাদের খেলোয়াড়দের পাকিস্তান সুপার লিগে খেলার অনুমতি না-ও দিতে পারে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান সুপার লিগের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় বাড়বে।

টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার

টানা তৃতীয় দিনের মতো দেশের বাজারে কমেছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ২ হাজার ৬৮৫ টাকা কমিয়ে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। শনিবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাজুস।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৬৮৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ১৫৭ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৭৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৪৩ টাকা। সোনার দামের পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবারও বাজুস সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা এবং রুপার দাম ভরিতে ৩৯২ টাকা কমিয়েছিল। তখন প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা এবং প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ছিল ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৭ বার কমানো হয়েছে।

ইরানকে ‘সর্বোচ্চ পরাজয়ের’ সতর্কবার্তা সৌদির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ইরানকে ‘সর্বোচ্চ পরাজয়ের’ সতর্কবার্তা সৌদির

যদি আরব অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া অব্যাহত রাখে ইরান, তাহলে চলমান যুদ্ধে দেশটির সর্বোচ্চ পরাজয় ঘটবে। গতকাল রোববার তেহরানের উদ্দেশে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে সৌদি আরব। গত শনিবার সৌদির অন্যতম বৃহৎ তেলক্ষেত্র শায়েবাহ অয়েল ফিল্ডে ইরানি ড্রোন আঘাত হানার পরের দিন এক বিবৃতিতে ইরানকে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের প্রতিশ্রুতি ও কাজের মধ্যে ‘মিল নেই’ বলেও অভিযোগ করেছে রিয়াদ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কোনো বাস্তব ভিত্তি ছাড়াই যুক্তিহীনভাবে আরব দেশগুলোকে লক্ষ্য করে নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করে বলছে যে বাস্তবে এই প্রতিশ্রুতির কোনো প্রতিফলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।” “ইরান যদি এমন নির্বিচার হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে চলমান যুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ পরাজয় ঘটবে এবং রিয়াদ ও তেহরানের বর্তমান ও ভবিষ্যত সম্পর্কের ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব পড়বে।” উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম ইরানের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিলো সৌদি। সূত্র : এএফপি

নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা ইরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা ইরানের

নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করেছে ইরান। তিনি সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দ্বিতীয় সন্তান। বাংলাদেশ সময় আজ সোমবার রাত সোয়া ৩টার দিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায় নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে মোজতবা খামেনিকে নির্বাচিত করা হয়েছে। দেশটির ৮৮ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নিয়ে গঠিত অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট সুপ্রিম লিডার নির্বাচন করে। তারা সর্বশেষ ভোটাভুটিতে মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেঁছে নিয়েছেন।
অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট নতুন নেতার প্রতি সবাইকে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় স্ত্রী, মেয়েসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ওই সময় তার সঙ্গে আরও উচ্চপদস্থ অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তারাও প্রাণ হারান। আলজাজিরা জানিয়েছে, মোজতবা কখনো কোনো সরকারি দায়িত্ব পালন করেননি এবং কোনো নির্বাচনেও অংশ নেননি। কিন্তু তার বাবা সুপ্রিম লিডার থাকার সময় ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তার বেশ প্রভাব ছিল। তিনি ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। তার বাবা বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই তাকে পরবর্তী সুপ্রিম লিডার হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা নিজে অবশ্য কখনো এ নিয়ে আলোচনা করেননি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুইদিন আগে জানান মোজতবা সুপ্রিম লিডার হলে তাদের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। ট্রাম্প একাধিক সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ইরানের নেতা নির্বাচনে তাকে সরাসরি যুক্ত করতে হবে। তবে ট্রাম্পের বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়ে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলেকেই নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচিত করেছে ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট। ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর দেশটির প্রথম সুপ্রিম লিডার হন আয়াতুল্লাহ খোমেনি। এরপর তার মৃত্যুর পর এ দায়িত্ব পান আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। হামলায় নিহত হওয়ার পর তার ছেলে ইরানের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হয়েছেন। সূত্র: আলজাজিরা