খুঁজুন
                               
রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১৫ চৈত্র, ১৪৩২

চাঁদপুর-৩ সদর আসনে নৌকাবিহীন ধানের শীষের জোয়ার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুর-৩ সদর আসনে নৌকাবিহীন ধানের শীষের জোয়ার

 ভোটের আর মাত্র চারদিন বাকি।  মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীবেষ্টিত ত্রিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার জনপদ চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর)  আসনটি বিএনপির ধানের শীষের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক মাঠে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটিতে এই প্রথম নৌকাবিহীন ধানের শীষের সঙ্গে ভোটের লড়াই হতে যাচ্ছে দাঁড়িপাল্লার। সেই লড়াইয়ের দৌড়ে  আরো আছেন চরমোনাই পীরের হাতপাখা, ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি ও কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ কে  সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে চলছে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, মিছিল, পথসভা, উঠান বৈঠক ও দলীয় নেতাকর্মীদের তৎপরতা।
প্রতিদিনই বাড়ছে সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক, মিছিল এবং বাড়ি বাড়ি ভোটারদের কাছে ভোট চাওয়ার ব্যস্ততা। আগামী বৃহস্পতিবার  (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের দিন, তাই নির্বাচনকেন্দ্রিক শেষ প্রস্তুতি  জোড়তোড়ভাবে চলছে। তবে সাধারণ ভোটারদের অধিকাংশই মুখ খুলছে না। হ্যাঁ বা না, ধানের শীষ না দাঁড়িপাল্লা, হাতপাখা বা অন্য মার্কা–এ ব্যাপারে এমন ভোটাররা স্পষ্ট কিছু বলছে না। কাকে ভোট দেবেন সেটা অনেকে চাপা রাখছেন। অনেকে আবার ভোট দিতে যাবেন কি যাবেন না সেটা নিয়ে আছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে।
সবদিক থেকে নির্বাচনী মাঠের আলোচনায় বরাবর এগিয়ে  বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তাঁর পক্ষে  ধানের শীষের জোয়ার বইছে।
এরপর  আছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থী  অ্যাড. শাহজাহান মিয়ার দাঁড়িপাল্লার প্রচারণা ও গণসংযোগ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাত পাখার প্রার্থী শেখ মো. জয়নাল আবেদীন, এএইচএম আহসান উল্লাহ (ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি) ও
কমরেড জাহাঙ্গীর হোসেন (কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে)–নির্বাচনী লড়াইয়ে তারাও মাঠে আছেন সক্রিয়ভাবে। উল্লেখিত প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড এবং মাইকিং প্রচারণা নির্বাচনী এলাকায়  শোভা পেলেও মাঠে নেই অ্যাড. সেলিম আকবর (গণফোরামের উদীয়মান সূর্য) এবং সাংবাদিক জাকির হোসেন (গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক)। এ দুজন প্রার্থী ধানের শীষের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে ব্যালটে তাদের নাম ও মার্কা থাকছে।
আগের নির্বাচনগুলোতে ধানের শীষের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো নৌকা। এবার নৌকাবিহীন নির্বাচনী মাঠে  উত্তেজনা কম। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবার এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দাঁড়িয়েছে বিএনপির ধানের শীষ ও জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রচারণার দৃশ্যমান গতি ধানের শীষের দিকে থাকলেও ভোটের প্রকৃত সমীকরণে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাড. শাহজাহানের অবস্থান কী হতে পারে নীরব থাকা ভোটের হিসেবে সেটা ধারণা  করতে হচ্ছে।
জাতীয় পার্টি, গণ ফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ, হেফাজতের অংশ জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম এবং সনাতনী সম্প্রদায় বিএনপি ও ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।তারপর আছে বিএনপির বিশাল নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ। এতো কিছুতে এই আসনে ধানের শীষের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকাবিহীন অন্য কোনো মার্কাকে দেখছে না স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহল। তবে আওয়ামী লীগ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোট কোন দিকে যায়, সেই সমীকরণ মিলাচ্ছেন তারা।  নির্বাচনী মাঠে জামায়াত তথা ১১ দলীয় জোটের অবস্থানকে সহজে দুর্বল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ভোটারদের ভাষ্য, নির্বাচনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, ২৬২ চাঁদপুর-৩  (চাঁদপুর সদর-  হাইমচর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩শ’ ৩৪ জন। এর মধে নারী ভোটার ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬শ’ ২৮ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮২ হাজার ৭শ’ ৪ জন।হিজড়া ২ জন। কেন্দ্র ১শ’ ৬৫টি এবং কক্ষ ৯শ’ ৯৪ টি।

মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

উজ্জ্বল হোসাইন
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

আজ (২৬ মার্চ)— মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর আক্রমণের বিরুদ্ধে শুরু হয় বাঙালির সশস্ত্র প্রতিরোধ। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে অর্জিত হয় স্বাধীনতার লাল-সবুজ পতাকা। এ বছর পালিত হচ্ছে স্বাধীনতার ৫৬তম বার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষে সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো দিবসটি পালন করছে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে।
রক্তঝরা ইতিহাসের সূচনা
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। কিন্তু দমে যায়নি বাঙালি জাতি। সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে গড়ে তোলে প্রতিরোধ। নয় মাসের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর আসে চূড়ান্ত বিজয়— জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী
দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতিকে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা জোগায়। তিনি সাম্য, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে জাগ্রত করে। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
দেশব্যাপী কর্মসূচি
দিবসটি উপলক্ষে ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবার এবং বিদেশি কূটনীতিকরাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাজধানীসহ সারা দেশে আয়োজন করা হয়েছে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে বিএনপির শ্রদ্ধা
বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজ বিভিন্ন ঘাটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। সিনেমা হলে বিনা টিকিটে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। জাদুঘরগুলোও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য। দেশের মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রীতিভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জাতীয় ঐক্যের আহ্বান
মহান স্বাধীনতা দিবস শুধু অতীতের গৌরব স্মরণের দিন নয়, বরং ভবিষ্যৎ নির্মাণের অঙ্গীকারের দিন। জাতির এই মহান অর্জনকে অর্থবহ করতে প্রয়োজন ঐক্য, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় উজ্জীবিত হওয়া। স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আজকের দিনের অঙ্গীকার।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় নিহত বেড়ে ২৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় নিহত বেড়ে ২৫

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবির ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে ১১ জন নারী, ৭ শিশু ও ৭ জন পুরুষ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) তাপস কুমার পাল ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মো. হাফিজুর রহমান।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মো. হাফিজুর রহমান বলেন, দৌলতদিয়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঘাটের ৩নং পন্টুন থেকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের ওই বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।

মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণ ও হোয়াইট হাইসের উদ্যোগে ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কলিউশন সামিটে যোগ দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে পররাষ্ট্র দপ্তরের আয়োজিত শীর্ষ এই সম্মেলনে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এআই-এর দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব। এজন্য বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে উন্নত বিশ্বের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা শিশুদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুদিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ঐতিহাসিক ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’-এ আপনাদের সবার সাথে যোগ দিতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমাদের শিশুদের সম্ভাবনা এবং প্রতিটি জাতির আগামীর অঙ্গীকারের মতো মহৎ উদ্দেশ্যে আমাদের একত্রিত করার জন্য আমি ফার্স্ট লেডিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি দেশের ভবিষ্যৎ লেখা হয় সেই দেশের শিশুদের জীবনের পাতায়। আজ আমরা তাদের যে শিক্ষা প্রদান করি এবং যে মূল্যবোধে তাদের বড় করি, তার মাধ্যমেই তারা আগামীদিনের জাতি গঠন করে।’
তিনি আরও বলেন, একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি কেবল চিকিৎসার ওপর নয়, বরং জীবনের প্রাথমিক পর্যায় থেকে রোগ প্রতিরোধের ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছি। ডা. জুবাইদা বলেন, শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে প্রযুক্তি, বিশেষ করে ‘এড-টেক’ (Ed-tech) কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। একইসঙ্গে, আমরা এই প্রযুক্তিগুলোর নিরাপদ এবং নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যাতে শিশুরা একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী উত্তরাধিকার রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানবাধিকার সমুন্নত করেছেন এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। আমাদের সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।