খুঁজুন
                               
রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২২ চৈত্র, ১৪৩২

ঈদের দিনের ৪ রকমের স্পেশাল রেসিপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫, ১২:১১ অপরাহ্ণ
ঈদের দিনের ৪ রকমের স্পেশাল রেসিপি

মুসলিমদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। একমাস সিয়াম সাধনা শেষে বন্ধুবান্ধব, পরিবারের সঙ্গে একত্রিত হয়ে ঈদের উৎসবে মেতে ওঠেন। আর এই দিনটিতে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকে গৃহিণীর রসুইঘর। ঈদ উপলক্ষ্যে সবার ঘরেই নানা ধরনের মুখরোচক খাবারের আয়োজন করা হয়। এছাড়া আত্মীয় ও বন্ধুদের বাসাতেও ঈদে দাওয়াত থাকে। সব মিলিয়ে ঈদ ও এর পরবর্তী দিনগুলোতে সবাই কমবেশি সুস্বাদু ও মজাদার খাবার খাওয়ার মধ্যেই থাকেন।
তবে ঈদের দিনের সেই আয়োজনে যুক্ত হতে পারে আরও চারটি পদ। জেনে নিন চারটি রেসিপি-

লাচ্ছা সেমাইয়ের খিরসা

ঈদের দিনে সবার ঘরে কমবেশি সেমাই, জর্দা বা পায়েস রান্না করা হয়। সেমাইতো সবসময় একিভাবেই রান্না করা হয় তবে এবারের ঈদে চাইলে সেমাই রান্নায় আনতে পারেন নতুনত্ব। এবার ঈদে তৈরি করতে পারেন লাচ্ছা সেমাইয়ের খিরসা।

লাচ্ছা সেমাইয়ের খিরসা তৈরির রেসিপি-

উপকরণ লাচ্ছা সেমাই ২২৫ গ্রাম, ঘি ১৫০ গ্রাম, পেস্তাবাদাম ১০০ গ্রাম, জাফরান রং সামান্য, খিরসা লিকুইড দুধ ৩ কাপ, গুড়া দুধ এক কাপ, কাস্টার্ড পাউডার ২ টেবিল চামচ ও চিনি আধা কাপ, সিরার জন্য পানি এক কাপ, চিনি এক কাপ লেবুর রস এক টেবিল চামচ।

যেভাবে করবেন প্রথমে লাচ্ছা সেমাই ও ঘি দিয়ে ভেজে তুলে রাখুন। অল্প একটু ভাজা সেমাইয়ের সঙ্গে জাফরান রং মিশিয়ে রাখুন। একটা পাত্রে দুধের সঙ্গে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে জ্বাল দিন। এতে কাস্টার্ড পাউডার, চিনি মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে খিরসা তৈরি করুন। এখন চুলায় পাত্রে পানি, চিনি ও লেবুর রস দিয়ে সিরা করুন। পাত্রে প্রথমে অর্ধেক সেমাই দিয়ে ওপরে খিরসার লেয়ার দিন। তার ওপর বাকি সেমাই দিয়ে আরেকবার খিরসা দিয়ে রঙিন সেমাই ওপরে ছড়িয়ে দিন। এবার সেমাইয়ের ওপর চিনির সিরা ছড়িয়ে দিন। সব শেষে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রিতে বেক করুন ১৫ মিনিট। সেরা স্বাদ পেতে ব্যবহার করতে পারেন ড্যান ফুডস বা যে কোনো ভালো ব্র্যান্ডের ঘিয়ে ভাজা লাচ্ছা সেমাই।

ঠান্ডা করে ওপরে বাদাম কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন দারুণ মজার সেমাইয়ের খিরসা।

শাহী মোরগ মোসাল্লাম

এই ঈদে প্রিয়জন কিংবা অতিথি আপ্যায়নে তৈরি করুন দারুণ মজাদার সুস্বাদু শাহী মোরগ মোসাল্লাম। তাহলে দেখে নিন, ঈদের স্পেশাল রেসিপিটি তৈরির উপকরণ ও প্রক্রিয়া প্রণালী।

উপাদান:

১. মাঝারী আকারের মুরগী – ১টি

২. আদা ও রসুন বাটা – ২ চা চামচ

৩. পিঁয়াজ বাঁটা – ২ টেবিল চামচ

৪. পিঁয়াজ বেরেস্তা – হাফ কাপ

৫. বাদাম বাটা – ১ চা চামচ

৬. টমেটো সস – ১ চা চামচ

৭. গরম মসলার গুঁড়া – হাফ চা চামচ

৮. টক দই – ২ টেবিল চামচ

৯. ঘি – ২ টেবিল চামচ

১০. তেল – হাফ চামচ

১১. এলাচী, দারচিনি, তেজপাতা- ২/৩টি করে

১২. কেওড়া জল – ১ চা চামচ

প্রণালী: প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল ও ঘি মিশিয়ে পিঁয়াজ কুঁচি বেরেস্তা করে উঠিয়ে রাখতে হবে। তারপর আস্ত মুরগীর গায়ে হালকা জর্দার রং মিশিয়ে কমলা কালার করে তেলের মধ্যে হালকা লাল করে ভেজে নিতে হবে।

তারপর মুরগীটি তুলে নিয়ে ওই কড়াইয়ের তেলেই টকদই ছাড়া সব মশলাগুলোকে ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। মশল্লা কষানো হলে এতে ২ কাপ পানি দিয়ে টকদই দিয়ে ও কিছুটা বেরেস্তা দিয়ে ঝোল তৈরি করে নিতে হবে। ঝোলে মুরগিটি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে এবং পানি শুকিয়ে এলে মশল্লা যখন ভুনা ভুনা হয়ে আসবে তখন নামিয়ে এর ওপরে বাদাম কুঁচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে। ব্যস, হয়ে গেল ঈদের স্পেশাল রান্না- শাহী মোরগ মোসাল্লাম।

শাহি পোলাও

ঈদের আনন্দ অনেকটাই মাটি হয়ে যেতে পারে ঝরঝরে পোলাও না হওয়ার কারণে। এ সমস্যা সমাধানে আজকের রেসিপিতে থাকছে ঝরঝরে শাহি পোলাও তৈরির সহজ একটি টেকনিক।

এ পদ্ধতিতে একেবারে রান্নায় নতুন যারা তারাও সহজেই খাবারটি ঝরঝরেভাবে তৈরি করতে পারবেন। চলুন জেনে নিই ঈদে শাহি পোলাও তৈরি করতে কী কী প্রয়োজন–

প্রয়োজনীয় উপকরণ: এ খাবারটি তৈরি করতে যে উপকরণগুলো আপনার প্রয়োজন হবে তা হলো পোলাওয়ের চাল ২৫০ গ্রাম, বড় সাইজের আলু বোখরা ১২টি, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, তেল ১ কাপ, ঘি ১ চা-চামচ, আদা-রসুন কুচি ২ চা-চামচ, আদা পেস্ট ২ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৪টি, তেজপাতা ২টি, দারুচিনি ২টি, এলাচ ২টি, লবঙ্গ ৪টি, কেওড়া জল ৩ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভাজা বা বেরেস্তা ৩ টেবিল চামচ, জাফরান ভেজানো পানি ৩ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমেই ঝরঝরে পোলাও তৈরি করার জন্য চাল ধুয়ে তা ঝরিয়ে রাখুন রান্না করার ১/২ ঘণ্টা আগেই। এবার শাহি পোলাও তৈরি করার জন্য চুলায় বসিয়ে দিন একটি সসপ্যান।

সসপ্যান হালকা গরম হয়ে এলে তাতে তেল ও ঘি দিয়ে দিন। এরপর তাতে আলু বোখরা, কিশমিশ, কাঁচা মরিচ বাদে সব উপকরণ দিয়ে দিন। বাদামি করে ভাজার পর রান্নায় এর ফ্লেভার চলে এলে তাতে দিয়ে দিন আগে থেকে ধুয়ে ঝরিয়ে রাখা পোলাওর চালগুলো।

পোলাওর চাল হালকা বাদামি হয়ে এলে তাতে দিয়ে দিন গরম পানি। মনে রাখবেন, চাল ভেজে বাদামি করা না হলে পোলাও ঝরঝরে হবে না আবার খেতেও সুস্বাদু হবে না। পানি দেওয়ার সময় সবসময় চালের দ্বিগুণ দিতে চেষ্টা করবেন।

বাজারে পাওয়া নতুন চালের পোলাও হলে এই পানির পরিমাণ আরও কমিয়ে দিন। রান্নায় পোলাওয়ের স্বাদ আরও বাড়াতে এই গরম পানির পরিবর্তে মুরগির মাংসের স্টকের পানি মেশাতে পারেন।

এ পর্যায়ে দিয়ে দিন কাঁচা মরিচ ও পরিমাণমতো লবণ। এবার মিডিয়াম আঁচে সসপ্যানে ঢাকনা দিয়ে অপেক্ষা করুন ১০ মিনিটের মতো। পানি এ পর্যায়ে পুরোপুরি শুকাবে না। তাই চালগুলোর সঙ্গে আলু বোখরা ও কেওড়ার জল ভালোভাবে মিশিয়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে লো ফ্লেমে অপেক্ষা করুন পানি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত।

পোলাও হয়ে এলে পোলাওয়ের ওপর জাফরান ভেজানো পানি, পেঁয়াজের বেরেস্তা ও কিশমিশ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মোগল আমলের বিখ্যাত শাহি পোলাও।

কাটা মসলায় গরুর মাংস

ঈদ মানে বাহারি সব খাবারের আয়োজন। ঈদে বাড়িতে বাড়িতে গরুর মাংস তো রান্না হয়ই, তবে স্বাদে একটু ভিন্নতা আনতে তৈরি করতে পারেন কাটা মসলায় গরুর মাংস।

উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ বড় বড় টুকরা করা এক কাপ ,আদা কাটা এক কাপ, রসুন কোয়া ৮টি , শুকনা মরিচ ৭-৮টি, দারুচিনি ৩ টুকরা, এলাচ ৪টি, লেবুর রস ১ চামচ, জিরা ভাজা (আস্ত) ১ চা চামচ, গোল মরিচ ১০ টি, বেরেস্তা আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৭-৮ টি, ঘি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণ মতো, টক দই ২ চা চামচ, তেল পরিমাণ মতো

প্রস্তুত প্রণালি : গরুর মাংস লবণ ও টক দই দিয়ে মাখিয়ে আধা ঘণ্টা মেরিনেট করুন। এবার এর সঙ্গে আদা, রসুন, শুকনা মরিচ,এলাচ, দারুচিনি,গোল মরিচ, জিরা দিয়ে আরও আধা ঘণ্টা মেরিনেট করুন। প্যানে তেল গরম করে মাংস দিয়ে কষিয়ে নিন। কষানোর সময় লেবুর রস দিন। ভালো করে কষানো হলে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাংস সিদ্ধ করুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে বেরেস্তা, ঘি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে মৃদু আঁচে বসিয়ে রাখুন। নামিয়ে পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

চাঁদপুরে নবনিযুক্ত প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের যোগদান

উজ্জ্বল হোসাইন
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুরে নবনিযুক্ত প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের যোগদান

চাঁদপুর জেলায় নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আহমেদ জিয়াউর রহমান যোগদান করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) সকালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকারের স্থলাভিষিক্ত হলেন। আহমেদ জিয়াউর রহমান বিসিএস (প্রশাসন) ২৮তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। এর আগে তিনি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর নিজ জেলা বরিশাল।
২০২৬ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে মাঠপ্রশাসন গোছানোর অংশ হিসেবে সরকার দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে রদবদল করলে আহমেদ জিয়াউর রহমানকে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করে। ২৯ মার্চ চাঁদপুরসহ ১১টি জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নির্দেশনা: অফিস উপস্থিতি ও সাশ্রয়ে কড়াকড়ি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নির্দেশনা: অফিস উপস্থিতি ও সাশ্রয়ে কড়াকড়ি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন করে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই আদেশ জারি করা হয়। মূলত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পূর্বতন নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যেই এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে উপস্থিতির বিষয়ে কোনো শিথিলতা সহ্য করা হবে না: প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। কর্মসূচি প্রণয়ন: দাপ্তরিক অন্য কোনো কর্মসূচি বা মিটিং এমনভাবে নির্ধারণ করা যাবে না, যাতে উল্লিখিত সময়ে অফিস কক্ষে উপস্থিতিতে বিঘ্ন ঘটে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

  •     প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার: দিনের বেলায় পর্যাপ্ত আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি পরিহার করে জানালা ও পর্দা খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
  •     এসি নিয়ন্ত্রণ: এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখতে হবে।
  •     যথাযথ ব্যবহার: অফিস কক্ষে অবস্থানকালে কেবল প্রয়োজনীয় সংখ্যক লাইট, ফ্যান ও এসি চালু রাখা যাবে। কক্ষ ত্যাগের সময় বা অফিস শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টারসহ সব ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
  •     অপ্রয়োজনীয় বাতি: করিডোর, সিঁড়ি বা ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি জ্বালানো যাবে না এবং সরকারি বিশেষ নির্দেশনা ছাড়া কোনো ধরণের আলোকসজ্জা করা যাবে না।
  •     জ্বালানি সাশ্রয়: সরকারি যানবাহনের জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অধিকতর সাশ্রয়ী হতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় দাপ্তরিক কক্ষের পাশাপাশি করিডোর, টয়লেট ও সিঁড়ির হাতল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া এসব নির্দেশনা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা তদারকি ও মনিটরিং করার জন্য প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও কার্যালয়কে দ্রুত ‘ভিজিল্যান্স টিম’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাত ৮টার পর দোকান ও শপিংমল বন্ধ: নতুন নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ
রাত ৮টার পর দোকান ও শপিংমল বন্ধ: নতুন নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জানানো হয়: ঢাকাসহ সারা দেশের সকল দোকান, বাণিজ্যিক বিতান এবং শপিংমল প্রতিদিন রাত ৮টার মধ্যে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সহযোগিতা করা।
জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে এবং জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় কিছু নির্দিষ্ট খাতকে এই নির্দেশনার বাইরে রাখা হয়েছে: ওষুধের দোকান (ফার্মেসি), হোটেল ও রেস্তোরাঁ, কাঁচাবাজার,জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান

ব্যবসায়ী মালিক সমিতির এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসায়ী ও মালিকপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরকারের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নীতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।